কীভাবে বুঝবেন ইস্ট ভালো আছে কিনা!

প্রায় প্রত্যেককের রান্নাঘরেই রান্না ও বেকিংয়ের কিছু উপকরণ থাকে অবধারিতভাবে। তবে সেগুলোর ব্যবহার হয় কদাচিৎ। এমন একটি জিনিস হল ইস্ট। পাউরুটি তৈরিসহ বিভিন্ন ঘরানার খাবার বেক করার জন্য ব্যবহার করা হয় ইস্ট। এই লেখাটি পড়তে পড়তেও আপনি যদি রান্নাঘরে ঢুঁ দিন, তবে হয়তো এক কোনে পড়ে থাকতে দেখবেন বহুদিনের পুরনো ইস্টের কৌটা।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয় না বলে কৌটা ইস্ট ভর্তি থেকে যায়। এখন প্রশ্ন হল এই ইস্ট কি ব্যবহারযোগ্য? এটা জানার খুব সহজ একটি উপায় হল ইস্টের পরীক্ষা।

কি এই ইস্টের পরীক্ষা? ইস্টের পরীক্ষা হল ছোট একটি কৌশল যার মাধ্যমে সহজেই নির্ণয় করা সম্ভব ঘরে থাকা ইস্টটি ব্যবহারযোগ্য আছে কিনা। যেহেতু ইস্ট মূলত একটি জীবন্ত উদ্ভিজ ঘরানার উপাদান, এটা দীর্ঘদিন ভালো থাকার পরেও সঠিক স্থানে ও পরিবেশে রাখা না হলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে সহজেই। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যদি দেখা যায় যে ইস্টের ফার্মেনটেশন প্রক্রিয়া সচল আছে এবং তা বুদবুদ তৈরি করতে পারছে, তবে বুঝতে হবে যে ইস্টটি ভালো আছে এবং ব্যবহার করা যাবে।

কীভাবে ইস্টের পরীক্ষা করতে হবে? এই পরীক্ষার জন্য চারটি জিনিস প্রয়োজন হবে- ইস্ট, কুসুম গরম পানি, চিনি ও একটি কাপ। পরীক্ষার জন্য অর্ধেক কাপ পানিতে এক চা চামচ চিনি গুলিয়ে এতে এক-দেড় চা চামচ পরিমাণ ইস্ট মিশিয়ে রেখে দিতে হবে দশ মিনিটের জন্য। দশ মিনিটের মাঝে কাপের ভেতর ইস্ট ফোমের মত টেক্সচার ধারণ করতে এবং চিনিকে ফারমেন্ট করে ফেলবে।

এমনটা হলে বুঝতে হবে ইস্ট ব্যবহারযোগ্য এবং ঠিক আছে। যদি ১০-১৫ মিনিট পার হয়ে যাওয়ার পরেও মিশ্রণে কোন পরিবর্তন না আসে তবে বুঝতে হবে ইস্ট নষ্ট হয়ে গেছে এবং এটা আর ব্যবহার করা যাবে না। সাধারণত সকল শুষ্ক ইস্টের মেয়াদ থাকে ১২ মাস পর্যন্ত। ইস্টের প্যাকেট বা কৌটা খোলার পর রেফ্রিজারেটরের শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করলে তা সম্পূর্ণ ভালো থাকবে।

About admin

Check Also

‘আগের চেয়ে ভালো’ পেস আক্রমণ

দলে এখন পেস বোলারের অভাব নেই কোনো। নিউজিল্যান্ড সফরে এবার বাংলাদেশ দলের সঙ্গী সাতজন পেসার। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *